প্রতিটা মানুষের মাঝেই কমপ্লেক্সিটি রয়েছে। কারও কম বা কারও হয়তো একটু বেশিই। ভাল মন্দ বুঝি না তবে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতায় বুঝেছি কমপ্লেক্সিটি মানুষের জীবনকে অনেক বেশি জটিল করে দেয়। সব কিছু সহজভাবে নিতে পারলে সব কিছুই সুন্দর ও স্বাভাবিক হয়। এতদিন মানুষের মাঝে এই বিষয়টি দেখে এসেছি। দেখেছি মানুষ কি করে সাধারণ একটি বিষয়কে ঘুরিয়ে পেচিয়ে জটিল করে ফেলে। সামান্য কোন বিষয়কে অনেক বেশি জটিল করে ফেলে। নিজের মাঝেও যে অতি মাত্রায় কম্লেক্সিটি রয়েছে তা আগে কখনো বুঝি নাই। মনে হয় এখন বুঝতে পারছি। সাধারণ বিষয়কে অনেক জটিল করে ফেলছি। যে কারণে অনেকেই আমাকে বুঝতে পারে না। এমনকি অনেকের কাছে আমি বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছি।
আমি এখানে কমপ্লেক্সিটি বলতে যা বোঝাতে চেয়েছি তা হয়তো অনেকের মাথার উপর দিয়েই যাবে। একটু খোলাসা করে বলি। Continue reading »
আজ বাসায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ আর বাসায় যাওয়া হল না।
আমার কাজ শেষ হতে সন্ধ্যা লেগে গিয়েছিল। সন্ধ্যায় যখন বাসার উদ্দেশ্যে বের হলাম তখন আকাশের অবস্থা ভাল ছিল না। তবুও বাসায় যাওয়ার জন্য বাস স্ট্যান্ডে উপস্থিত হলাম। কিন্তু এক ঘন্টা অপেক্ষা করেও কোন বাসে উঠতে পারলাম না। এর মাঝে বাবা ফোন করে বললেন ওখানকার অবস্থা ভাল না। খুব ঝড় হচ্ছে। আমাকে ঝড়ের মধ্যে বাসায় যেতে নিষেধ করে দিলেন। কি আর করা অনিচ্ছা সত্তেও ফিরে আসতে হল। মনটা একটু খারাপ ছিল তাই ভাবলাম হাঁটতে হাঁটতে মেসে ফিরবো। হাঁটা শুরু করলাম আসাদ গেট থেকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের দিকে। ততক্ষনে জোরে বাতাস বইতে শুরু করে দিয়েছে। তবুও রিক্সা না নিয়ে হাঁটতে থাকলাম। ২৭ নম্বরের পেছনের রাস্তায় যখন আমি তখন হঠাৎ করেই খুব জোরে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। ইচ্ছা করেই ভিজতে ভিজতে হাঁটতে লাগলাম। আশে পাশের মানুষগুলো নিজেদের বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ছুটতে লাগলো। শুধু আমি একা হেটে যাচ্ছি রাস্তা দিয়ে। প্রচন্ড বাতাসে নারিকেল গাছের ডাল রাস্তায় ভেঙ্গে পড়ে আছে। রাস্তায় পড়ে থাকা ডালগুলো পরিস্কার করতে করতে এগোতে থাকলাম। একটু এগিয়ে এসে দেখি এক ভ্যান চালক ভ্যানের মাল বাঁচাতে তাবু দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাতাসের প্রচন্ডতা এতটাই ছিল যে তাবু তো দূরের কথা তার পরনের লুঙ্গিটাও ঠিক করে রাখতে পারছিলেন না। আমি তাকে সাহায্য করলাম তাবু ঠিক করতে। Continue reading »
গরমের দিন চলে এসেছে। শুরু হয়েছে দুঃসহ জীবন। লোডশেডিং এর মাত্রা সহ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে দিন দিন। প্রতিদিন ৪-৫বার বিদ্যুৎ চলে যায়। লোডশেডিংয়ের সাথে মশার চরম উৎপাতে জীবন অস্থির হয়ে পড়ছে দিন দিন। কোন কাজ করার উপায় নেই। মশার কারণে কোন কাজ মনযোগ দিয়ে করা সম্ভব হয় না। আবার লোডশেডিংয়ের কারণে এক নাগারে কোন কাজ করা যাচ্ছে না। ক্লাস হচ্ছে না ঠিকমত।
আগে মশা নিয়ে পত্রিকায় অনেক লেখালেখি হতো। এখন তাও হচ্ছে না। ফলে মশা নিধনে কোন ব্যবস্থাও দেখা যাচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে তো দিন দিন জীবন যাপন করা দুরূহ হয়ে যাবে।
আমরা সাধারণ মানুষ সবসময় অবহেলিত। আমাদের নিয়ে কেউ ভাবে না। আর কতদিন আমরা এভাবে জীবন কাটাবো?
বর্তমানে প্রায় সব মোবাইল অপারেটরই এসএমএস ফ্রী দিচ্ছে। সেই সুবাদে এসএমএস আদান প্রদানের পরিমান প্রচুর পরিমানে বেড়ে গেছে। প্রতিদিন এত পরিমানে এসএমএস পাচ্ছি যে অনেক এসএমএস দেখা যায় কমন পড়ে গেছে। বর্তমানে এই এসএমএস গুলোকে এসএমএস স্প্যাম বলে মনে হয়। তবে কিছু মজার এসএমএস পেয়ে থাকি। যেগুলো পড়লে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেতে হয়। এসএমএস একেবারে ব্যক্তিগত একটি বিষয়। তবে মনে হয় এই ধরনের এসএমএস শেয়ার করা যায়।
আমার প্রাপ্ত কিছু এসএমএস এখানে শেয়ার করছি।
একবার চেয়ে দেখো,
সব তারা দিয়ে দেবো।
একবার এসে দেখো,
চাঁদ থেকে এনে দেবো।
একবার কেঁদে দেখো,
সব জল মুছে দেবো।
একবার হেসে দেখো,
সব দাঁত ফেলে দেবো।
************** Continue reading »
My Lockbox is a security software enabling you to password protect any folder on your computer. I think this is the best software for Folder Lock.
The protected folder is hidden from any user and application of your system, including Administrator and System itself. It is impossible to access the lockbox not only from the local computer, but also from the net.
The program is extremely easy to use. You can set the lockbox location and the password during the setup procedure. After the setup is done, lockbox will be hidden and locked until you enter the valid password.

ব্যস্ত দিন যাচ্ছে আমার। হাজারো ব্যস্ততা আমার। শুধু লেখাপড়া করার সময় পাই না। অনেকদিন ধরে নিয়মিত ক্লাস মিস করে আসছি। অথচ এই সময়টাই বেশি জরুরী নিয়মিত পড়ালেখা করার। অনার্স শেষ হতে আর মাত্র কয়েকটা মাস আছে। সবই বুঝি কিন্তু ঠিকমত চলতে পারি না।
হাতে অনেক কাজ। কোন কাজটাই শেষ করা হচ্ছে না। কিছুদুর পর্যন্ত করে হয়তো আর পারি না অথবা আর ভাল লাগে না। তবে কাজ নিয়ে প্রতিটা দিনই আমার ব্যস্ত যায়। ভার্সিটির কাজ নিয়ে ব্যস্ততা(অবশ্যই লেখাপড়া নিয়ে নয়) আর বাসায় আসলে তো আমি পুরা ব্যস্ত মানুষ। একটি মিনিট আমি চেয়ার থেকে উঠতে পারি না। প্রতিদিনই দেখা যায় বিকালে কম্পিউটারের সামনে বসে একেবারে রাত ৪-৫টায় উঠি। মাঝে শুধু হয়তো খাওয়ার জন্য উঠি একবার। এতসময় একটানা কাজ করি কিন্তু ঘুমোতে যাওয়ার সময় হিসেব করে দেখি কিছুই করা হয় নাই। এভাবেই কাটছে দিন। কিন্তু ইদানিং একটা সমস্যা দেখা যাচ্ছে আমার শরীরে। মাজা থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত ব্যাথা। কোন কারণ খুজে পাচ্ছিলাম। পরে আমার সন্দেহ হলো হয়তো বেশি সময় বসে থাকার কারনে এমনটি হয়েছে। টানা দুইদিন চেয়ারে আর বসি নাই। এখন একটু উন্নতি হয়েছে মনে হয়। কিন্তু চেয়ারে না বসে কি করে আমি কাজ করবো। বর্তমানে সার্চ ইন্জিন নিয়া আমি খুবই ব্যস্ত। আগামাথা কিছু বুঝি না তবুও বোঝার চেষ্টা করছি।
Continue reading »
গতকাল মেইলে আসা কিছু ফাইল ডাউনলোড করার খুব প্রয়োজন পড়লো নেট থেকে। বাইরে ছিলাম তাই সাইবার ক্যাফেতে যাওয়া লাগলো বাধ্য হয়ে। সাইবার ক্যাফে থেকে ফাইলটি ডাউনলোড করে কম্পিউটারের ডেস্কটপে একটি ফোল্ডার করে রাখলাম। এরপর ফোল্ডারটি সেন্ড করে দিলাম পেনড্রাইভে। কপি শেষে ভাইলটি চেক করার জন্য পেনড্রাইভ করলাম। স্বভাব সুলভ ভাইরাসের ভয়ে ফোল্ডার অপেনের আগে প্রপার্টিজ থেকে দেখে নেই এ্যাপ্লিকেশন নাকি ফাইলফোল্ডার। পেনড্রাইভে ফোল্ডার আইকনের শুধু এ্যাপ্লিকেশনই পেলাম। আমার ফাইল কোথাও খুজে পেলাম না। বার চেষ্টা করার পরও ফোল্ডারটি পেনড্রাইভে কপি করতে পারলাম না। পরে জিপ করে আনতে হয়েছে।
বহুত প্যাচাল পাইরা ফেললাম। যে উদ্দেশ্যে লেখা সেটাই বলা হলো না। বর্তমানে ভাইরাসের কারণে পেনড্রাইভ ব্যবহার করাই বিপদজনক। প্রতিনিয়তই নতুন নতুন ভাইরাস তৈরী হচ্ছে। ভাইরাসের যন্ত্রনায় জীবন শেষ। ভার্সিটির ল্যাবের সকল কম্পিউটারের ইউএসবি পোর্ট বন্ধ রাখা হয়েছে। না রেখে উপায় নেই। কতজনকে সাবধানে রাখা যায়? এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার দিয়েও তো কাজ হয় না। আর একবার কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হলে তো নতুন করে ওএস না দেয়া ছাড়া উপায় থাকে না।
Requirement:
Syslinux-2.10.zip from kernel.org (Here don’t booting a Linux kernel)
DHCP and TFTP Server software for windows (TFTPD32 Works well for this)
- Download tftpd32.273.zip from TFTPD Homepage
A DOS boot disk image (or a dos bootdisk that you wish to create an image from)
- A DOS boot disk with network support can be downloaded from NU2
Download ‘BFD full package v1.0.7.zip’ from NU2
- WinImage software for creating the boot disk image
Download winima61.exe from WinImage
Create image using Acronis.
Instructions:
1. Begin by downloading the software above into a temporary folder on the computer that will act as the PXE Server.
2. Create a folder on the server to use for hosting the necessary files. I created a folder on the C drive called tftpboot
3. Open Syslinux-2.10.zip with your favorite zip utility. We will need two files from the archive. Extract pxelinux.0 from the root directory of the zip file into your pxe folder (’c:\tftpboot’) Next, browse to the zip file’s subfolder memdisk and extract the file called ‘memdisk’ into your pxe folder.

