জাতীয় বাজেট কি না হইলেই নয়? মেসের খাবার ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার
Jul 23

সহজলভ্যতার কারণে মোবাইল এখন যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। আর এ কারণেই মোবাইল ফোন এখন সবার হাতে হাতে। শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এটি এখন সহজ ও সুবিধাজনক। তাই এই প্রজুক্তির ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর বিপদটা এখানেই। কারণে-অকারণে মিস কলের যন্ত্রণা। রাত দুপুরে ফোনের অত্যাচার।উৎকট রিংটোন। অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য সরকার আইন পর্যন্ত করত বাধ্য হয়েছে। যারা আইন মানেছেন, তাদের ধন্যবাদ। যারা আইন তো দূরের কথা সাধারণ নিয়মগুলো জানেন না বা জানলেও মানেন না তাদের জন্য রইল কিছু পরামর্শ।

যা করা উচিৎ

  • কাউকে ফোন করলে প্রথমেই জেনে নিন তিনি ব্যস্ত আছেন কি না।
  • যে কোন মিটিং, সেমিনার অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলাকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়েরই উচিত মোবাইল ফোন বন্ধ বা সাইলেন্ট রাখা।
  • কাউকে ফোন করে ভয়েস মুড পেলে ঘাবড়ে যাবেন না। সংক্ষেপে আপনার মেসেজ রাখুন।
  • কারো সাথে কথা বলার সময় আরেকটি কল এলে “মাফ করবেন” বা “দুঃখিত” বলে অন্য কলটি রিসিভ করুন।
  • ফোনে কথা বলতে বলতে হাচি বা কাশি এলে, মোবাইল দূরে সরিয়ে হাচি বা কাশি দিন। পরে ‘দুঃখিত’ বলুন।
  • শ্রুতিমধুর রিংটোন ব্যবহার করুন। যা থেকে আপনার সুরুচির পরিচয় পাওয়া যাবে।
  • উপাসনালয়, জিম, পার্লার বা এধরণের স্থানে মোবাইল বন্ধ রাখাই ভালো।
  • কেউ ফোন করলে ব্যস্তার কারণে কথা বলতে না পারলে কাজ শেষে তাকে কলব্যাক করুন।

  • যা করা উচিৎ নয়

  • অকারণে কাউকে মিসকল দিয়ে বা ফোন করে বিরক্ত করবেন না।
  • খুব জরুরী দারকার না হলে কাউকে সকাল আটটার আগে ও রাত বারোটার পরে ফোন না করাই ভালো।
  • অনেক্ষন কাউকে কল ওয়েটিং এ রাখবেন না।
  • কাউকে সামনে বসিয়ে একের পর এক ফোন বা মেসেজ পাঠাবেন না।
  • যে কোন আড্ডায় বা বাড়িতে অতিথি এলে তাদের বসিয়ে রেখে অনেক্ষন ধরে মোবাইলে কথা বলবেন না।
  • অপরিচিত কাউকে মজা করার জন্য মিসকল বা ফোন বা মেসেজ পাঠিয়ে বিরক্ত করার মাঝে আনন্দ নেই। মনে রাখবেন, আপনার আচরণই আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক।
  • কাউকে কখনোই অশালিন মেসেজ দেবেন না।
  • মোবাইলে ক্যামেরা থাকলে বিনা অনুমতিতে কারো ছবি তুলবেন না।
  • মোবাইলের রিংটোন খুব জোরে রাখবেন না।
  • কারো অজান্তে বা বিনা অনুমতিতে তার মোবাইল মেমরি চেক করবেন না।
  • অনেকের মাঝে বা কোন সমাবেশে মোবাইলে খুব জোরে জোরে কথা বলবেন না। খুব দরকাল হলে দূরে গিয়ে কথা বলুন।
  • গাড়ী চালানোর সময় অথবা ব্যস্ত রাস্তায় হাটতে হাটতে মোবাইলে কথা বলবেন না।
  • কারো ফোন বুক মেমরি থেকে বিনা অনুমতিতে ফোন নাম্বার সংগ্রহ করবেন না।
  • অন্যের মোবাইল থেকে লুকিয়ে মেসেস পড়বেন না।
  • শুধু মানুষকে দেখাবার জন্য অকারণে সবার সামনে মোবাইল প্রদর্শন করবেন না।
  • ইনকামিং কলের ক্ষেত্রে আপনার কথা শেষ হওয়ার সংগে সংগে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করবেন না।
  • শিশুদের কাছে মোবাইল রাখবেন না।
  • যেখানে সেখানে বা টাকার মধ্যে মোইল নাম্বার লেখা থেকে বিরত থাকুন।
  • কেউ আপনার আপত্তি সত্তেও বিরক্ত করতে থাকলে উত্তেজিত হবেন না বা গালিগালাজ করবেন না। তাকে স্পষ্ট ভাষায় না বলুন অথবা উপেক্ষা করুন।
  • লেখাটি সংগ্রহ করা হয়েছে- ‘পাঞ্জেরী শিক্ষা সংবাদ, জুলাই 2008′ ম্যাগাজিন থেকে।

    3 Responses to “মোবাইল শিষ্টাচার”

    1. স্বপ্নবাজNo Gravatar Says:

      সবইতো বুঝলাম, কিন্তু চোরে কি ধর্মের কাহিনি শুনবে?

    2. shumanNo Gravatar Says:

      শুনবে। আজ না হোক একদিন না একদিন ঠিকই শুনবে। আশাবাদী হতে দোষের কী?

    3. AgniNo Gravatar Says:

      আসলে ভদ্রতা যদি আমাদের অন্তরের গভীর থেকে না আসে তাহলে কিভাবে হবে? এটা পারিবারিক বা সামাজিকভাবেই তৈরি হয়।
      পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ

    Leave a Reply