Sep 30

অনেকদিন দিন আগেই ভার্সিটি বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধুরা সব চলে গেছে যার যার বাড়ি। আমি এখনো ঢাকায়। কিন্তু আর নয়। আজই বাসায় চলে যাবো। এবারের ঈদ নিয়ে একটু উত্তেজনা কাজ করছে। কারণ এবার ঈদের পর গ্রামের বাড়ি যাবো। অনেকদিন পর গ্রামে যাচ্ছি। প্রায় দুই বছর পর। এবার বাড়িতে গিয়ে খুব মজা হবে।
আমার খুবই ঘনিষ্ট বন্ধুর বিয়ে আছে ঈদের পড়ে। বিয়ে হচ্ছে আবার আমার দুরসম্পর্কের মামাতো বোনের সাথে। দুই পরিবারই আমার খুব পরিচিত। এই বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে অনেক অনেক পরিকল্পনা আছে আমার।  
ঈদের পর আবার শুরু হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দূর্গা পূজা। এলাকায় মুসলমান বা হিন্দুদের যে কোন অনুষ্ঠানেই আমরা বন্ধুরা একসাথে আনন্দ ফুর্তি করতাম। এবারের ঈদে বন্ধুদের সাথে পূজায়ও অনেক আনন্দ হবে। 
 আগামী ১২ তারিখের পর হয়তো ঢাকায় ফিরতে পারবো।

Sep 27

আজ সকালে ঘুম থেকে উঠলাম ১০টায়। ঘুম থেকে উঠেই দেখি বিদ্যুৎ নেই। বেতন তুলবো বলে salary sheet তৈরী করে প্রিন্ট করতে হবে। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় বসে থাকতে হলো। বেলা ১২টায় বিদ্যুতের দেখা মিললো। জলদি কম্পিউটারে কম্পোজ করে ফেললাম। কিন্তু পিসি থেকে ফাইল কপি করে যখনই পেনড্রাইভে পেস্ট করবো তখনই আবার বিদ্যুৎ চলে গেল ~X( । আবার বসে থাকলাম। আধাঘন্টার মধ্যে বিদ্যুত আসলো। তারাতারি ফাইলটা কপি করে প্রিন্ট করার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হলাম।

ভার্সিটির পাশেই প্রিন্ট করার দোকান। আমি দোকানে পৌছানো মাত্রই বিদ্যুৎ চলে গেল ~X( । পরে একটি মার্কেটে গিয়ে প্রিন্ট করে আনি। সেখানে সেন্ট্রাল জেনারেটর থাকায় প্রিন্ট করতে অসুবিধা হয়নি।

প্রিন্ট করা কাগজটি নিয়ে গেলাম আমাদের ডিপার্টমেন্টের কো-অর্ডিনেটর স্যারের রুমে। সেখানে গিয়েও দেখি বিদ্যুত নেই। যাইহোক স্বাক্ষর নিতে বিদ্যুৎ লাগে না বলে আর ঝামেলায় পরতে হলো না। :D

আমাদের বেতন দেয়া হয় ইউনিট ১ এ। সেখানে গেলাম বেতন তুলতে। সেখানেও পৌছানো মাত্র বিদ্যুৎ চলে গেল ~X( । বিদ্যুৎ গেল ভাল কথা কিন্তু জেনারেটরের তেল থাকবে না এটা কি মানা যায়? আমার এমনই কপাল আজ জেনারেটরের তেলও নাই। পিয়নকে পাঠানো হলো তেল আনতে। অফিসের মধ্যে বসে থেকে ততক্ষনে হাল্কাপাতলা একটা গোসল হয়ে গেছে। যাইহোক অবশেষে বেতন পেলাম। ইউনিট থেকে বের হয়ে আসার সময় জেনারেটরের আওয়াজ পেলাম। বুঝলাম তেল আনা হয়েছে।:|

কাজ শেষ বাসায় ফিরলাম। বাসায় ফিরে দরজাটাও খুললাম আর বিদ্যুতও গেল :-@ । মেজাজটা এখন খারাপ না হয়ে পারলো না। চরম আকারে মেজাজ গরম করে বিছায় শুয়ে পরলাম। নেটে বসবো বলে অনেক সময় অপক্ষা করলাম বিদ্যুতের জন্য। কিন্তু বিদ্যুতের দেখা পেলাম না। অবশেষে ঘুমিয়ে পরলাম। ইফতারির আগে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম বিদ্যুৎ আছে। অবশেষে শান্তিতে ইফতারি করলাম। :)

ইফতারির পর গেলাম নিউমার্কেটে। সেখানে গিয়েও দেখি বিদ্যুৎ নেই (পরে অবশ্য বিদ্যুত এসেছিল)।  নিউমার্কেটের কাজ শেষে বাসায় ফিরলাম রাত পৌনে বারোটায়। তখন বসায় ফিরে দেখি বিদ্যুত নেই :( । বারোটার পর আবার বিদ্যুত আসলো।

এখন পর্যন্ত আর বিদ্যুৎ যায় নাই। মনে হয় আমর কুফা কাটছে। :D

ব্যাপারটা পুরোটাই কাকতালীয়। অথবা আজ হয়তো বেশি মাত্রায় লোডশেডিং হয়েছে। তবুও অদ্ভুত লেগেছে ব্যাপারটি।

Aug 06

যারা মেসে থেকেছেন বা থাকছেন তারা জানেন অধিকাংশ মেসেই প্রতিমাসে একজন ম্যানেজার নির্বাচিত করা হয়। মেসের সদস্যদের কাছ থেকে টাকা তোলা, বাজারের ব্যবস্থা করা, কখন কোন বেলায় কি খাবার হবে এবং মেসের যাবতীয় বিষয়ে ব্যবস্থা করাই ম্যানেজারের দ্বায়িত্ব। এই দ্বায়িত্ব পালন করা মোটেই সহজ কাজ নয়। প্রতিদিনের হিসেব মিলাতে মিলােত অবস্থা কাহিল হয়ে যায়। মেসের হিসাব নিকাশের জন্য একটি খাতা থাকে। যেখানে মেসের প্রতিদিনকার বাজার ও খাবারের হিসাব লেখা হয়। মাস শেষে সকল হিসাব মেলানো এবং প্রতি সদস্যের জন্য আলাদা হিসাব বের করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকে এ কাজ সহজ করার জন্য এমএস এক্সেলে হিসাব লেখেন। আমিও এ কাজ করতাম।

প্রায় দেড় বছর পর এই মাসে আমি আবার ম্যানেজার হয়েছি। এতদিন ফাঁকি মেরে কাটিয়েছি। কিন্তু এবার উপায় না পেয়ে ম্যানেজার হতেই হল। ম্যানেজারি শুরু হবার দুইদিনের মধ্যেই হিসেব মিলাতে গিয়ে মেজাজ খারাড় হয়ে গেল। তখনই ভাবলাম একটা সফটওয়্যা বানালে কাজটা সহজ করা যাবে। ঘন্টা খানেকের মধ্যে পিএইচপি দিয়ে অনলাইন বেস্‌ড একটা সফটওয়্যার তৈরী করলাম। সফটওয়্যারটি প্রথমে নিজের জন্যই বানিয়েছিলাম। পড়ে কয়েকজনের আগ্রহী হওয়ার একটু কাস্টমাইজ করে code.google.com এ আপলোড করে দিলাম।যে কেউ এটি ব্যবহার করতে পারেন অথবা ইচ্ছামত সম্পাদনা করে ব্যবহার করতে পারেন। ডেমো দেখতে পারেন এখান http://mess.shumanbd.info/ থেকে।
username: admin
password: admin

এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারেন : অথবা
http://manage-mess.googlecode.com/files/messmngr.zip

Jul 23

সহজলভ্যতার কারণে মোবাইল এখন যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। আর এ কারণেই মোবাইল ফোন এখন সবার হাতে হাতে। শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এটি এখন সহজ ও সুবিধাজনক। তাই এই প্রজুক্তির ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর বিপদটা এখানেই। কারণে-অকারণে মিস কলের যন্ত্রণা। রাত দুপুরে ফোনের অত্যাচার।উৎকট রিংটোন। অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য সরকার আইন পর্যন্ত করত বাধ্য হয়েছে। যারা আইন মানেছেন, তাদের ধন্যবাদ। যারা আইন তো দূরের কথা সাধারণ নিয়মগুলো জানেন না বা জানলেও মানেন না তাদের জন্য রইল কিছু পরামর্শ। Continue reading »

Jul 06

আমি অর্থনীতি বুঝি না। আমি শুধু বুঝি আমরা দশজন সাধারণ মানুষ ভাল আছি কি না। প্রতি বছর বাজেট ঘোষনার পর সাধারণ জনগণের ব্যায় বেড়ে যায়।

আমি ভাল নেই। আমার মত আর দশজন সাধারণও ভাল নেই। তাহলে লাভ টা কি?

Jul 06

সেই এইচএসসি পরীক্ষার পর থেকে বাংলা তেমন লেখা হয় না। শুধু দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় কথা বলে থাকি। বাংলায় লেখি না কতদিন ঠিক নাই। শুধু মাঝে মাঝে অনলাইনে কিছু বাংলা লেখা হয়। অনলাইনে বাংলা লেখা খুব বেশি দিন লিখতে শুরু করেছি তা নয়। কিছু দিন হল লেখি। আমার ব্যক্তিগত জীবন কাঁটে একেবারেই নিরামিষ। সারাদিন ভার্সিটি থাকি আর বাসায় যতসময় থাকি কম্পিউটার নিয়ে থাকি। ভার্সিটি বা বাসায় কথা খুব বেশি বলা হয় না। কম্পিউটারের যত সময় থাকি তত সময় কম্পিউটারের ভাষা নিয়েই পড়ে থাকি। যে কারণে আমার মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। সাধারণত প্রজন্ম ফোরামে আমি একটু বাংলা লেখালেখি করি। ইদানিং বাংলা লেখার সময় প্রয়োজনীয় শব্দ খুজে পাই না। অর্থ্যাৎ আমি যে বিষয়টা বলতে চাই সেটা আমি প্রকাশ করার জন্য সঠিক ভাষা আমি খুজে পাই না। মনে হচ্ছে অনেক বাংলা শব্দ আমার মস্তিস্ক থেকে হারিয়ে গেছে। কথা বলার মাঝেও একই অবস্থা হয়।
যাইহোক আমার মনে হচ্ছে অবসরে আমার বাংলা বই পড়া উচিৎ। গল্প বা উপন্যাস ধরনের বই। যা পড়লে কাহিনীর সাথে কল্পনার একটি চিত্র ফুটে উঠবে। আমার মনে হয় সকলেরই উচিৎ বই পড়ার অভ্যাস গড়া। শত ব্যস্ততার মাঝেও বই পড়া উচিৎ।

Jun 23

অনেক দিনের প্রতিক্ষার পর আবার কুষ্টিয়া থেকে ঘুরে আসলাম। আজই আসলাম কিছু সময় আগে। বেশ মজা করে আসলাম। একটা রোমাঞ্চকর ঘটনাও ঘটে গেল। পরে বিস্তারিত লিখবো। হাতে অনেকগুলো কাজ জমা পড়ে গেছে। কাজগুলো আজকের মধ্যে শেষ না করলে খবরই আছে আমার। :)

কী-বোর্ডে মনে হয় নষ্ট হয়ে গেল। কিছু কী কাজ করছে না। অনস্ক্রীন কী-বোর্ড দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। উফ্‌ মরার উপর খাড়ার ঘা!!:(

Jun 03

প্রতিটা মানুষের মাঝেই কমপ্লেক্সিটি রয়েছে। কারও কম বা কারও হয়তো একটু বেশিই। ভাল মন্দ বুঝি না তবে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতায় বুঝেছি কমপ্লেক্সিটি মানুষের জীবনকে অনেক বেশি জটিল করে দেয়। সব কিছু সহজভাবে নিতে পারলে সব কিছুই সুন্দর ও স্বাভাবিক হয়। এতদিন মানুষের মাঝে এই বিষয়টি দেখে এসেছি। দেখেছি মানুষ কি করে সাধারণ একটি বিষয়কে ঘুরিয়ে পেচিয়ে জটিল করে ফেলে। সামান্য কোন বিষয়কে অনেক বেশি জটিল করে ফেলে। নিজের মাঝেও যে অতি মাত্রায় কম্লেক্সিটি রয়েছে তা আগে কখনো বুঝি নাই। মনে হয় এখন বুঝতে পারছি। সাধারণ বিষয়কে অনেক জটিল করে ফেলছি। যে কারণে অনেকেই আমাকে বুঝতে পারে না। এমনকি অনেকের কাছে আমি বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছি।
আমি এখানে কমপ্লেক্সিটি বলতে যা বোঝাতে চেয়েছি তা হয়তো অনেকের মাথার উপর দিয়েই যাবে। একটু খোলাসা করে বলি। Continue reading »